সবাইকে ঈদ মোবারক Eid Al Fitr Mubarak
Aaaaa Eid Mubarak
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে চলছে গুজরাট এবং পাঞ্জাব কিংসের মধ্যকার আজকের ম্যাচটি। যেখানে প্রথম ইনিংসে স্বাগতিক গুজরাটের ওপেনার ও অধিনায়ক শুভমান গিল প্রথম ওভারেই একটি ছক্কা হাঁকান, যা ছিল চলতি টুর্নামেন্টের ৩০০তম ছক্কা। এর আগের মৌসুমে ১৭ ম্যাচে ২৫৯টি ছক্কা মারা হয়েছিল, যেখানে ২০২০ সালে একই সংখ্যক ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা ২৫৮টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন।
এছাড়া ২০১৮ সালে ১৭তম ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা মারতে পেরেছিলেন ২৫০টি ছক্কা। ২০২২ সালে আইপিএলের প্রথম ১৭ ম্যাচে ব্যাটারদের দ্বারা মোট ২৪৫টি ছক্কা মারা হয়েছিল। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি মৌসুমে প্রতি ১২-১৩ বলের মাঝে একটি করে ছক্কা মারা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ২৫ বলে কমপক্ষে ২টি করে ছক্কা মারা হচ্ছে। এছাড়া আইপিএলের আগের প্রতিটি আসরে গড়ে ১৫–এর বেশি বলে ছক্কা হাঁকাতে দেখা গিয়েছিল।
অথচ এবার প্রতিটি ম্যাচে দুই ডজনের বেশি ছক্কা মারা হচ্ছে, তাই কল্পনা করাই যায় এবারের টুর্নামেন্টটি কতটা রোমাঞ্চকর হয়ে উঠেছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যান এনরিখ ক্লাসেন একাই ১৭টি ছক্কা মেরেছেন। এছাড়া রাজস্থানের ব্যাটসম্যান রায়ান পরাগ, লখনৌ সুপার জায়ান্টসের নিকোলাস পুরান এবং কলকাতার ওপেনার সুনীল নারিন সমান ১২টি করে ছক্কা মেরেছেন এখন পর্যন্ত।
এবারের আইপিএলে এখন পর্যন্ত দুইবার স্কোরবোর্ডে ২৫০-র বেশি রান উঠেছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের করা ২৭৭ রান তো আইপিএল ইতিহাসেরই সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড। সেই রেকর্ডও প্রায় ভেঙে দিতে বসেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। যদিও শেষ পর্যন্ত তারা ২৭২ রানে থামে। বোঝাই যাচ্ছে, এবারের আইপিএলে ব্যাটাররা যেভাবে তাণ্ডব চালাচ্ছেন, বেশ চাপেই রয়েছেন বোলাররা। যদিও বোলারদের জন্য ওভারপ্রতি দুটি বাউন্সার রাখা হয়েছে, তবুও সব দেখে মনে হচ্ছে এবারের টুর্নামেন্টে বোলারদের ভালোভাবেই টেক্কা দিচ্ছেন ব্যাটাররা।
বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফিসও ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করে বলেছেন, ‘বৃহস্পতিবার স্কোয়াডের (বাংলাদেশ) সম্ভাব্য সব ক্রিকেটারকে থাকতে হবে ভিসার কাজের জন্য।’
শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, ৪ তারিখ ভিসার কাজ শেষ করেই আবার ভারত যাবেন দ্য ফিজ। ৫ এপ্রিল ম্যাচ রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসের। রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে তারা নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলবে। সেই ম্যাচের জন্য দলের সঙ্গে থাকবেন মুস্তাফিজ।
তবে শেষ পর্যন্ত হয়ত মুস্তাফিজকে ছাড়াই হায়দরাবাদের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে চেন্নাইকে। কেবলই চট্টগ্রামে টেস্ট শেষ করেছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। সেখান থেকে দলের সকলেই যোগ দেবেন। ধারণা করা হচ্ছে, পুরো কাজ সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে গিয়ে চেন্নাইয়ের পরবর্তী ম্যাচটাই মিস করতে যাচ্ছেন দ্য ফিজ।
চেন্নাইয়ের পরের ম্যাচ ৮ এপ্রিল, হোম ম্যাচে প্রতিপক্ষ কলকাতা নাইট রাইডার্স। সেই ম্যাচের জন্যও মুস্তাফিজের থাকা বা না থাকা এখনও ঝুলে আছে অনিশ্চয়তার মাঝে। ৫ ও ৮ এপ্রিলের দুই ম্যাচের পর চেন্নাই সুপার কিংস পরের ম্যাচ খেলবে ১৪ এপ্রিল। সেই ম্যাচে অবশ্য মুস্তাফিজের না থাকার কোনো শঙ্কা নেই।
অবশ্য বাংলাদেশের এই পেসারকে পুরো মৌসুম পাওয়ার সম্ভাবনা নেই চেন্নাইয়ের। বিসিবির দেওয়া অনাপত্তিপত্র অনুযায়ী, ১২ মে পর্যন্ত পাবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। বাকি ম্যাচগুলো তিনি খেলতে পারবেন না। মোট ৫১ দিনের জন্য এই বাঁহাতি পেসারকে ছুটি দিয়েছে বিসিবি। তারপর দেশে ফিরতে হবে জিম্বাবুয়ে সিরিজের জন্য।
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে' বাধাগ্রস্ত করার যে চেষ্টাই হোক না কেন, ফেব্রুয়ারির প্রথ...